Search This Blog

My Blog List

Showing posts with label সূরাহ আল-বাকারাহ. Show all posts
Showing posts with label সূরাহ আল-বাকারাহ. Show all posts

17.1.18

মহান আল্লাহর বাণীঃ অতএব, তোমরা জেনে-বুঝে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করো না। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২২)

  মহান আল্লাহর বাণীঃ অতএব, তোমরা জেনে-বুঝে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করো না। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২২)
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)

অধ্যায়ঃ ৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير)

হাদিস নম্বরঃ ৪৪৭৭
الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَاشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَأَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَّكُمْ ۖ فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَندَادًا وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
  মহান আল্লাহর বাণীঃ অতএব, তোমরা জেনে-বুঝে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করো না। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২২)
৬৫/২/২. অধ্যায়:
قَالَ مُجَاهِدٌ {إِلَى شَيَاطِيْنِهِمْ}أَصْحَابِهِمْ مِنْ الْمُنَافِقِيْنَ وَالْمُشْرِكِيْنَ {مُحِيْطٌ بِالْكَافِرِيْنَ} اللهُ جَامِعُهُمْ {صِبْغَةَ} : دِيْنٌ {عَلَى الْخَاشِعِيْنَ}عَلَى الْمُؤْمِنِيْنَ حَقًّا قَالَ مُجَاهِدٌ {بِقُوَّةٍ}يَعْمَلُ بِمَا فِيْهِ وَقَالَ أَبُو الْعَالِيَةِ {مَرَضٌ}شَكٌّ {وَمَا خَلْفَهَا}عِبْرَةٌ لِمَنْ بَقِيَ {لَا شِيَةَ} لَا بَيَاضَ وَقَالَ غَيْرُهُ {يَسُوْمُوْنَكُمْ} يُوْلُوْنَكُمْ {الْوَلَايَةُ}مَفْتُوْحَةٌ مَصْدَرُ الْوَلَاءِ وَهِيَ الرُّبُوْبِيَّةُ إِذَا كُسِرَتْ الْوَاوُ فَهِيَ الإِمَارَةُ وَقَالَ بَعْضُهُمْ الْحُبُوْبُ الَّتِيْ تُؤْكَلُ كُلُّهَا {فُوْمٌ} وَقَالَ قَتَادَةُ {فَبَاءُوْا} فَانْقَلَبُوْا وَقَالَ غَيْرُهُ {يَسْتَفْتِحُوْنَ} يَسْتَنْصِرُوْنَ {شَرَوْا}بَاعُوْا {رَاعِنَا} مِنْ الرُّعُوْنَةِ إِذَا أَرَادُوْا أَنْ يُحَمِّقُوْا إِنْسَانًا قَالُوْا رَاعِنًا {لَا يَجْزِي} لَا يُغْنِيْ {خُطُوَاتِ} مِنْ الْخَطْوِ وَالْمَعْنَى آثَارَهُ {ابْتَلَى} اخْتَبَرَ
মুজাহিদ (রহ.) বলেন, إِلَى شَيَاطِيْنِهِمْ তাদের সঙ্গী-সাথী মুনাফিক ও মুশরিকمُحِيْطٌ بِالْكَافِرِيْنَ -আল্লাহ কাফিরদের পরিবেষ্টন করে আছেন- (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৯)অর্থাৎ আল্লাহ তাদের একত্রকারীصِبْغَةَ অর্থাৎ দ্বীনعَلَى الْخَاشِعِيْنَ-প্রকৃত মুমিনদের নিকটমুজাহিদ (রহ.) বলেন, بِقُوَّةٍ-তাতে যা আছে তা আমাল করেআবুল আলিয়া (রহ.) বলেন, مَرَضٌ-সন্দেহوَمَا خَلْفَهَا -পরবর্তীদের জন্য নাসীহাতلَا شِيَةَ -দাগ বিহীনঅন্যরা বলেনيَسُوْمُوْنَكُمْ-তারা তোমাদের কষ্ট দিত- (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/৪৯)الْوَلَايَةُ-আল ওয়াও মাফতুহ্ অবস্থায় الْوَلَاء-আল-ওয়ালা এর ধাতুঅর্থাৎ প্রভুত্ব, আর যখন ওয়াও’-কে যের দেয়া হবে, তখন অর্থ দাঁড়াবে নেতৃত্বকেউ কেউ বলেন, যে সমস্ত বীজ খাওয়া হয় তাকে ফুম  فُوْمٌ বলেক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন, فَبَاءُوْا তারা (আল্লাহর গযবের দিকে) ফিরে গেলيَسْتَفْتِحُوْنَ তারা সাহায্য চাইতোشَرَوْا-তারা বিক্রি করলرَاعِنَا নির্গত হয়েছে الرُّعُوْنَةِ মাসদার থেকেযখন তারা লোককে বোকা বানাতে চাইত তখন বলত, রায়িনা رَاعِنَا
   لَا يَجْزِيঅর্থাৎ কোন কাজে আসবে নাخُطُوَاتِ  নির্গত হয়েছে الْخَطْوِ মাসদার হতে যার অর্থ পদচিহ্নابْتَلَى -পরীক্ষা করলেন
৪৪৭৭. আবদুল্লাহ (ইবনু মাসঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিততিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কোন্ গুনাহ আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড়? তিনি বললেন, আল্লাহর জন্য অংশীদার দাঁড় করানঅথচ তিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেনআমি বললাম, এতো সত্যিই বড় গুনাহআমি বললাম, তারপর কোন্ গুনাহ? তিনি উত্তর দিলেন, তুমি তোমার সন্তানকে এই ভয়ে হত্যা করবে যে, সে তোমার সঙ্গে আহার করবেআমি আরয করলাম, এরপর কোনটি? তিনি উত্তর দিলেন, তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সঙ্গে তোমার ব্যভিচার করা। 
(৪৭৬১, ৬০০১, ৬৮১১, ৬৮৬১, ৭৫২০, ৭৫৩২; মুসলিম ১/৩৭, হাঃ ৮৬০)  (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১২২)